Saturday, July 27, 2019

‘বিএনপির আন্দোলনের হুমকি দেশবাসীর কাছে হাস্যকর’

 

বিএনপি নেতারা দুইদিন পরপর অভিযোগ করেন উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, খালেদা জিয়া খেতে পারছেন না, প্রাণহানির শঙ্কা রয়েছে। পরে খবর নিয়ে জানা গেছে খালেদা জিয়ার জিহ্বায় কামড় লাগায় কয়েকদিন খেতে পারেননি। আমার এমন সমস্যা হলে আমিওতো খেতে পারবো না। এতে প্রাণহানির কি আছে।

তিনি বলেন, খালেদার মুক্তির জন্য বিএনপি এসব আন্দোলনের হুমকি দেশবাসীর কাছে হাস্যকরে পরিণত হয়েছে। আমরা আগেও বলেছি এখনো বলছি, আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া তাদের নেত্রীর মুক্তি সম্ভব নয়।

শুক্রবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদ আয়োজিত ‘শেখ হাসিনার কারাবন্দি দিবস’ উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

‘আওয়ামী লীগের আন্দোলনের কারণেই ১/১১ সময় কারাগার থেকে খালেদা জিয়ার মুক্তি মিলেছিল। তবে এবার খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে মুক্ত করতে আইনি প্রক্রিয়ার বিকল্প নেই।’

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপি নেতা-কর্মীরা সরকারের সব উন্নয়নের মধ্যেই ‘কিন্তু’ খুঁজতে চায়। তারা নাকি দেখতে পায় দেশে উন্নয়নের নামে একশ্রেণির মানুষের পকেট ভারি হচ্ছে। আমরা দেখেছি বিএনপির শাসনে যখন দেশ দুর্নীতিতে পরপর পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। বিশ্বব্যাংক তাদের ৫টি প্রকল্প থেকে অর্থ ফিরিয়ে নিয়েছিল। তারা নিজেরা দুর্নীতিগ্রস্ত ছিল বলেই অন্যদের কাজের মধ্যে ‘কিন্তু’ খোঁজার চেষ্টা করে।

তিনি বলেন, বিএনপির মহাসচি মির্জা ফখরুল ইসলাম বরিশালের এক সমাবেশে বলেছেন, দেশে নাকি সুষ্ঠু নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগ একটি ভোটও পাবে না। একটি দলের মহাসচিব হয়ে কিভাবে এমন মন্তব্য করেন আমার বুঝে আসে না। কোনো মানসিক রোগীও বলতে পারে না একটি ভোটও আওয়ামী লীগ পাবে না। আসলে তাদের দলকে তারা কোন দিকে নিয়ে যেতে চায় তারাই ভালো জানে।

এ ছাড়াও দেশের উন্নয়ন নিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়ন কিছু মানুষ মেনে নিতে পারছেন না। এডিবি স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছে গত অর্থবছরে দেশের প্রবৃদ্ধি ছিল ৮ দশমিক ১ শতাংশ, যেখানে আমাদের দাবি ৮ দশমিক ১৬ শতাংশ। দেশের মানুষের ক্রয় ক্ষমতা বেড়েছে, বিদ্যুতের ব্যবহার ৪০ শতাংশ থেকে এখন ৯৫ শতাংশ, মাথাপিছু আয় ৬০০ ডলার থেকে এখন দুই হাজার ডলার হয়েছে।

বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদের উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম খানের সভাপতিত্বে আয়োজিত আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, আওয়ামী লীগ নেতা আক্তার হোসেন, এম এ করিম প্রমুখ।

No comments:

Post a Comment